32. ৩২. যীশু এক ভূতগ্রস্ত পুরুষকে আর একটি অসুস্থ মহিলাকে আরোগ্য করেক
একদিন যীশু ও তার শিষ্যরা নৌকায় হ্রদের ওপারে এক অঞ্চলে গেলেক সেটে গাদারিয় নকরা বসবাস করতেক|
যেতবা উরা হ্রদের অন্য পৌচালেক তেতবা এক ভুতে ধরা নক যিশুর দি দৌড়ি আসলেক|
এই নকটি এতটাই শক্তিশালী থালেক যে কেহই তাকে নিয়ন্ত্রণ করি রাখতে পারতেক নাই|নকেরা অনেকবার উহাকে শিকল দি হাত পা বাঁধি রাখতেক, কিন্তু তাও ভাঙ্গি ফেলতেক|
এই নক টি এলাকার কবরস্থানে থাকতেক, এই নকটি রাত দিন চিত্কার করতেক সে পোশাক ও পরতেক নাই, আর পাথর দি নিজেকে কাটতেক|
যেতবা নকটি যিশুর কাছে আলেক সে উহার সামনে হাঁটু গাঁড়ি বসলেক| যীশু ভুতটিকে বললেক ‘এই নকটির ভিতর নু বারায় আয়”|
নকটির ভিতরের ভূতটি জোরে চিত্কার করি বলি উঠলেক ‘আপনি আমার কাছ নু কি চাউ’, উহার পর যীশু সেই ভুতটিকে প্রশ্ন করলেক ‘তর নাম কি’?সে উত্তর দিলেক ‘আমার নাম বাহিনী, কেনেনা আমরা অনেক নক’[‘বাহিনী’ থালেক রোমান সৈন্যদের কিছু হাজার সৈন্যদের দল]
ভূতগুলি যীশুকে অনুনয় বিনয় করি বললেক ‘অনুগ্রহ করি আমারাকার এই অঞ্চল নু তাড়াবেন না’ সেঠেকার কাছাকাছি পর্বত এলাকায় একপাল ঘুসর চরি বেড়াথালেক, তাই ভুত্গা যীশুকে অনুনয় বিনয় করলেক, ‘অনুগ্রহ করি আমাদের বরং ঘুসরদের ভিতর যেতে আজ্ঞা দিন ! যীশু বললেন ‘যাও’
ভূতগুলি নক্তির ভিতর নু বারাই আসলেক আর ঘুসরদের ভিতর ঢুকি গেলা, ঘুসরগা এক উঁচা পাড় নু দৌড়ি হ্রদে ঝাপ দি ডুবি মরলেক|সেঠে প্রায় ২০০০ টি ঘুসর থালেক|
যখন ঘুসরপালকেরা দেখলেক যে কি ঘটলেক, উরা নগরে দৌড়ি আসলেক আর সকলকে বললেক যে যীশু কি করেছে, শহরের নোকেরা আসলেক আর নকটিকে দেখল যে নকটি ভুত্গস্থ থালেক, সে শান্ত ভাবে বসে রইছে, কাপড় ও পড়েছে আর সাধারন নকের মতই ভাব করথালেক|
নোকেরা খুব ভয় পালেক আর যীশুকে চলি যেতে বললেক| তাই যীশু নৌকায় চড়লেক এবং যেতে প্রস্তুত হলেক|কিন্তু সেই নকটি যে ভুত্গস্থ ছিল, সে যীশুর সাথে যাওয়ার জন্য অনুনয় করলেক|
কিন্তু যীশু তাকে বললেক, ‘না আমি চাই যে তুমি ঘরে ফিরি যা আর তোমার বন্ধুদের আর পরিবারকে সকল কিছু বল, যা ঈশ্বর তর জন্য করেছেন এবং কি ভাবে তর উপর দয়া করেছেন|
তাই নকটি চলি গেলেক এবং সকলকে তা বললেক যা যীশু উহার জন্য করথালেক|যে কেউ উহার কথা শুনলেক তারা আশ্চর্য পূর্ণ হলেক, আর অদ্ভুত বোধ করলেক|
যীশু হ্রদের অন্যপারে ফিরলেক, সেঠে পৌছাবার পর এক বিশাল ভিড় উহাকে ঘেরি একত্রিত হলেক আর উহাকে চাপাচাপি করথালেক|সেই ভিড়ে এক মহিলা থালেক যিনি বারো বছর রক্ত প্রবাহের অসুখে ভুগথালেক|তিনি তার সকল বিষয় সম্পতি ডাক্তারদের উপর ব্যয় করথাকলেক, যেন তারা তাকে সুস্থ করতে পারে কিন্তু সে কোনো উপকার পায়নি|
তিনি শুনথালেক যে যীশু অনেক নকদের সুস্থ করেন আর ভাবথালেক ‘আমি নিশ্চিত যে যদি আমি যিশুর কাপড়টিকেও ছুই তাহলে আমি সুস্থ হই যাব’|তাই তিনি যিশুর পিছনে আসলেক আর তার কাপড় টিকে ছুলেন|যেই ক্ষণে তিনি টা ছুলেক, তার রক্ত প্রবাহ বন্দ হই গেলেক|
তক্ষনাত, যীশু তের পালেক যে তার থেকে শক্তি বাহির হয়েছে|তাই তিনি ফিরলেক আর জিজ্ঞাসা করলেক ‘কে আমায় ছুইছে’?
শিষ্যরা উত্তর দিল ‘আপনার চারধারে যে প্রচুর নক এবং আপনাকে ধাক্কা দিলেক। আপনি কেন জিজ্ঞাসা করছেন ‘কে আমায় ছুয়েছে’যিশুর সামনে মহিলাটি কাপতে কাপতে ও ডরাই যাই হাঁটু গাড়ি বসলেক তারপর তিনি তাকে বললেন যে তিনি কি করেছেন, আর যে তিনি সুস্থ হচ্ছে। যীশু তাকে বললেক ‘তোমার বিশ্বাস তোমাকে সুস্থ করেছে, শান্তিতে চলি যা’।
এটি বাইবেলের গল্প নিবা হচ্ছে>মথি ৮:২৮-৩৪, ৯:২০-২২, মার্ক৫;১-২০, ২৪-৩৪, লুক ৮:২৬-৩৯, ৮:৪২-৪৮,
উন্মুক্ত লাইসেন্সের (CC BY-SA 4.0) অধীনে ব্যবহার, অভিযোজন ও ভাগ করার জন্য বিনামূল্যে।