28. ধনী-শাসক যুবক
একদিন, এক ধনী যুবক যিনি সেখানকার শাসক থাইলা, যীশুর কাছে আইলা আর প্রশ্ন করথালা, “হে সৎ গুরু, অনন্ত জীবন পাওয়ার জন্য আমাকে কি করতে হবে?”যীশু তাকে কইথালা, “আপনি আমায় কেন “সৎ”কওটো? একজনই মাত্র সৎ রয়েছেন আর তিনি হিলা ঈশ্বর ৷ কিন্তু আপনি যদি অনন্ত জীবন চান, তবে ঈশ্বরের আজ্ঞা পালন কর ৷”
“কোনগুলো আমাকে পালন করতে হবে?” তিনি জিজ্ঞাসা করথালা ৷ যীশু উত্তর দিলা, “হত্যা করনি ৷ ব্যভিচার করনি ৷ চুরি করনি ৷ মিথ্যা কওনি ৷ নিজ পিতামাতাকে আদর কর, আর নিজ প্রতিবেশীকে নিজ সমান প্রেম কর৷”
কিন্তু সেই যুবক কইথালা, “আমি এই সব ব্যবস্থা আমার বাল্যকালনু পালন করে আইসিটি ৷ অনন্তকাল বাঁচবার জন্য আমাকে আরো কি করতে হবে?”যীশু তাকে দেখলা ও স্নেহ করথালা ৷
যীশু উত্তর দিলেন, “যদি আপনি সিদ্ধ হিতে চাও তবে আপনার যা কিছু বিষয়বস্তু আছে তা বিক্রি কর আর সেই টাকা গরিবয়াঙ্কে বিতরণ কর আর স্বর্গে আপনার বিষয়-সম্পত্তি হবে৷ তারপর, আসুন আর আমার অনুকরণ কর ৷”
যখন সেই যুবক, যা কিছু যীশু কইথালা, শুনথালা, তিনি খুবই দুঃক্ষিত হিলা, কেনিনা তিনি খুবই ধনী থাইলা আর যা কিছু তার থাইলা সেগুলা দিতে চাইথালানি ৷ তিনি ফিরি আইলা আর যীশুর কাছনু চালি গেলা ৷
তারপর যীশু তার শিষ্যয়াঙ্কের কইথালা, “ধনীয়াঙ্কের জন্য এটা খুবই কঠিন ঈশ্বরের রাজ্যে প্রবেশ করা ! হ্যাঁ, সুঁচয়ের ছিদ্রনু প্রবেশ করিকি পার হওয়া একটি উটের জন্যও সহজ কিন্তু ঈশ্বরের রাজ্যে একজন ধনী ব্যক্তির প্রবেশ ততটাই কঠিন ৷
যখন শিষ্যরা শুনথালা যা যীশু কইথালা তখন তারা আশ্চর্য করল আর বলল, “তাহলে কানে উদ্ধার পাইতে পারে?”
যীশু শিষ্যয়াঙ্কের দেখলা আর কইথালা, “লোকেয়াঙ্কের জন্য এ অসম্ভব কিন্তু ঈশ্বরের জন্য সকল কিছুই সম্ভব৷”
পিতর যীশুকে কইথালা, “আমানে সকল কিছু পরিত্যাগ করিটি আর আপনাকে অনুস্বরণ করিটি ৷ আমাঙ্কের পুরষ্কার কি হবে?”
যীশু উত্তর দিলা, “প্রত্যেকে যানে ঘর, ভাই, বোন, পিতা, মাতা, সন্তান, বা সম্পত্তি আমার জন্য ত্যাগ করট, তানে তার ১০০গুনেরও বেশি পাবে আর অনন্ত জীবনও পাবে ৷ কিন্তু অনেকে যারা প্রথম তারা অন্তিম হবে আর অনেকে যারা অন্তিম তারা প্রথম হবে৷”
একটি বাইবেল কাহিনী: নেওয়া হয়েছে:মথি ১৯: ১৬-৩০; মার্ক ১০:১৭-৩১; লুক ১৮:১৮-৩০
উন্মুক্ত লাইসেন্সের (CC BY-SA 4.0) অধীনে ব্যবহার, অভিযোজন ও ভাগ করার জন্য বিনামূল্যে।