3. বন্যা

3. বন্যা — ছবি 1

বহুকাল পরে অনেক লোক তখন এই পৃথিবীতে বসবাস করথালা। তানে খুব দুষ্টু আর হিংস্র হিকি পড়থালা। এটা এতই খারাপ আকার লিথালা যে ঈশ্বর নির্ণয় লীলা সম্পূর্ণ পৃথিবী কে বন্যার দ্বারা শেষ করি দিবে।

3. বন্যা — ছবি 2

কিন্তু নোহ ঈশ্বরের নজরে অনুগ্রহ পাইলা। তিনি একজন ধার্মিক ব্যক্তি থাইলা, দুষ্ট লোকেয়াঙ্কের মাঝে বাস করথালা ৷ ঈশ্বর নোহকে সেই বন্যার বিষয়ে যা তিনি পাঠিবে ক‌ইথালা। তিনি নোহকে একটা বিরাট জাহাজ নির্মাণ করতে ক‌ইথালা।

3. বন্যা — ছবি 3

ঈশ্বর নোহকে কইথালা জাহাজ‌টাকে প্রায় 140 মিটার লম্বা, 23 মিটার চওড়া আর এক 13.5 মিটার উচু বাণীতে। নোহ এটাকে বাণীলা আর তিনটি স্তর, অনেকগুলো ঘর, একটি ছাদ আর একটা জানালা বানিথালা। জাহাজটি নোহকে তার পরিবারকে আর সকল ধরনের ভূচর প্রাণীয়াঙ্কে বন্যার সময় সুরক্ষিত রাখতে পারবে।

3. বন্যা — ছবি 4

নোহ ঈশ্বরের অজ্ঞাকারী হিলা। তিনি ও তাঁর তিনটা পুত্র ঠিক তেমনভাবেই জাহাজটাকে নির্মাণ করথালা যেমনটি ঈশ্বর তাঙ্কে ক‌ইথালা। জাহাজটাকে বানিতে বহুবছর লাগি গেলা, কেনিনা এটা বিরাট বড় থাইলা। নোহ লোকেয়াঙ্কে সতর্ক করথালা সেই বন্যার বিষয়ে যা আইসেটে আর কইথালা যেন তানে ঈশ্বরের কাছে ফিরে কিন্তু তানে তাকে বিশ্বাস করে নি।

3. বন্যা — ছবি 5

ঈশ্বর নোহকে আর তাঙ্কে পরিবারয়াঙ্কে আজ্ঞা দিথালা যেন তানে নিজেয়াঙ্কে ও পশুয়াঙ্কের জন্য পর্যাপ্ত আহার সংগ্রহ করি লেয়। যখন সবকিছু প্রস্তুত হিলা, ঈশ্বর নোহকে কইথালা এই সময়ই হিলা তার জন্য তার স্ত্রী তার তিন সন্তানয়ানে আর তাঙ্কের স্ত্রী য়াঙ্কের জন্য সরমিলিকি আট ব্যক্তি যেন তানে জাহাজ প্রবেশ করে।

3. বন্যা — ছবি 6

ঈশ্বর প্রত্যেক জন্তু আর পাখিয়াঙ্কের একটা নর আর একটা নারী নোহর কাছে পাঠিথালা যেন তানে জাহাজে প্রবেশ করে আর বন্যার সময় সুরক্ষিত রয়। ঈশ্বর প্রত্যেক প্রাণীর সাতটি নর আর সাতটি নারীর দিথালা সেগুলা উৎসর্গ করতে পারে। যখন তানে সকলে জাহাজের ভিতরে খাইলা, ঈশ্বর নিজেই জাহাজের দ্বার বন্ধ করি দ্বিথালা।

3. বন্যা — ছবি 7

যখন বৃষ্টি হওয়া আরম্ভ হিলা কেবল বৃষ্টি আর বৃষ্টি। 40 দিন 40 রাত অবিরাম বৃষ্টি হিলা! জলরাশ মাটির ভিতরনু বারি আইলা। সম্পূর্ণ পৃথিবীতে যা কিছু থাইলা সব‌ই জল মগ্ন হিলা, এমনকি উচ্চ পর্বত শৃঙ্গ সমূহ।

3. বন্যা — ছবি 8

সবকিছু যা ভূমিতে বাস করতা মারা গেলা, কেবল জাহাজের লোকেয়ানে আর প্রাণীয়ানে বাঁচি থাইলা। জাহাজটি জলে ভাসতে রইলা আর এর ভিতরের সবকিছু জলে ডুবানু সুরক্ষিত থাইলা।

3. বন্যা — ছবি 9

বৃষ্টি থামার পর জাহাজটা জলে পাঁচ মাস পর্যন্ত ভাসথালা আর সেই সময় জল নিচে নামা শুরু করথালা। তারপর জাহাজটা একটা পর্বতের গায়ে যাইকি ঠেকথালা। কিন্তু পৃথিবী এখনও জলমগ্ন থাইলা। আরো তিন মাস পর পর্বতের চূড়া দৃশ্যমান হিলা।

3. বন্যা — ছবি 10

আর 40 দিন পর, নোহ একটা পাখিকে যাকে দাড়কাক‌ও বলা হিতা জল শুকিছে কিনা দেখতে পাঠিথালা। দাঁড়কাক টা এদিক ওদিক উড়ি বেড়িলা শুকনা ভূমির খোঁজ কিন্তু পাইলা নি।

3. বন্যা — ছবি 11

তারপর নোহ একটা পাখি যাকে কপোত বলা হিতা তাকে পাঠিথালা। কিন্তু সেও কোন শুকনা ভূমি পাইলিনি, তাই সেও নোহর কাছে ফিরিআইলা। এক সপ্তাহ পর কপোত টিকে, পুনরায় আবার পাঠিথালা, আর সেটি একটা জলপাই গাছের ডাল তার চঞ্চুতে করিকি লিকি ফিরি আইলা। জল নিচে নামথালা তার গাছপালা আবার বৃদ্ধি পাইথালা।

3. বন্যা — ছবি 12

নোহ আরো এক সপ্তাহ অপেক্ষা করথালা আর কপোত টিকে তৃতীয়বার পাঠিথালা। এইবার সেটি আরাম করার জায়গা পাইলা আর ফিরি আইলানি। জল শুকি গেলা।

3. বন্যা — ছবি 13

দুমাস পর ঈশ্বর নোহকে কইথালা তুমি ও তোমার পরিবার আর সকল প্রাণীয়ানে এখন জাহাজনু বারি আসতে পার। প্রজবন্ত ও বহু বংশীয় হও আর পৃথিবী পরিপূর্ণ করো। অতএব নোহ আর তার পরিবার জাহাজনু বারি আসথালা।

3. বন্যা — ছবি 14

নূহের জাহাজনু বাড়ি আসার পর, তিনি একটা বেদি বানিথালা আর তাতে কিছু পশু যা উৎসর্গ করা যাইতে পারে তা বলি দ্বিথালা। ঈশ্বর বলিদানে আনন্দিত হিথালা আর নোহকে ও তার পরিবারকে আশীর্বাদ করথালা।

3. বন্যা — ছবি 15

ঈশ্বর কই থালা,"আমি প্রতিজ্ঞা করটি আমি পুনরায় কুনো দিন ভূমি কে শাপ গ্রস্ত করবনি, লোকেয়াঙ্কের দুষ্ট কার্যের জন্য, আর বন্যার দ্বারা পৃথিবীকেও নষ্ট করব নি,যদিও লোকেয়ানে তাঙ্কের শিশুকালনু পাপী।"

3. বন্যা — ছবি 16

ঈশ্বর তখন তার প্রতিজ্ঞার চিহ্নস্বরূপ প্রথম রংধনু তৈরি করথালা। প্রত্যেক সময় যখন আকাশে রংধনু ওঠে ঈশ্বর তার প্রতিজ্ঞা এবং তার লোকেয়াঙ্কে কথা মনে করে।

একটি বাইবেল কাহিনী: নেওয়া হয়েছে-আদিপুস্তক ৬-৮

রিডারে পড়ুন

উন্মুক্ত লাইসেন্সের (CC BY-SA 4.0) অধীনে ব্যবহার, অভিযোজন ও ভাগ করার জন্য বিনামূল্যে।