36. যীশুর উজ্জ্বল রূপ ধারণ

36. যীশুর উজ্জ্বল রূপ ধারণ — ছবি 1

একদিন, যীশু তার তিন শিষ্যয়াঙ্কের, পিতর, যাকোব, আর যোহনকে সাথে লিথালা ৷ (এই শিষ্য যোহন আর বাপ্তিষ্ম দাতা যোহন এক ব্যক্তি না৷)তানে প্রার্থনার জন্য পর্বতের দিকে যাইথালা ৷

36. যীশুর উজ্জ্বল রূপ ধারণ — ছবি 2

যখন যীশু প্রার্থনা করথালা, তার চেহারা সূর্যের মত উজ্জল হি গেলা আর তার কাপড় দীপ্তির মত উজ্জ্বল হিলা, এতটাই উজ্জ্বল যে পৃথিবীর কেউই তেমন করতে পারে নি৷

36. যীশুর উজ্জ্বল রূপ ধারণ — ছবি 3

তারপর মোশি আর এলিয় আভির্ভূত হিলা ৷ এই ব্যক্তিয়ানে পৃথিবীতে যীশুর প্রায় হাজার হাজার বছর আগে থাইলা ৷ তানে যীশুর সাথে তার মৃত্যুর বিষয়ে কথা কইথালা, যা শীঘ্রই যেরুশালেমে হিতে চলথালা৷

36. যীশুর উজ্জ্বল রূপ ধারণ — ছবি 4

যখন মোশি আর এলিয় যীশুর সাথে কথা কইথালা তখন পিতর যীশুকে কইথালা, “আমায়াঙ্কর জন্য এখানে রওটা ভালো ৷ আমানে এখানে তিনটা ছাউনি বানিবা, একটা আপনার জন্য, একটি মোশির আর একটা এলিয়ের জন্য৷”পিতর জানতানি যে তিনি কি কয়টে ৷

36. যীশুর উজ্জ্বল রূপ ধারণ — ছবি 5

যখন পিতর কইথালা তখন এক উজ্জ্বল মেঘ নেমি আইলা আর তাঙ্কের ঘিরি ধরথালা আর সেই মেঘনু একটি বাণী হিলা, “এ হিলা আমার পুত্র যাকে আমি ভালবাসি ৷ আমি তার প্রতি সন্তুষ্ট ৷ তার কথা মান্য কর৷”সেই তিন শিষ্য আতঙ্কিত হিলা আর ভূমিতে পড়ি গেলা ৷

36. যীশুর উজ্জ্বল রূপ ধারণ — ছবি 6

তখন যীশু তাঙ্কের ছুঁইলা আর কইথালা, “ভয় পাও নি৷”উঠে দাঁড়াও৷”যখন তানে চারিদিকে তাকিলা, তানে কেবল যীশুকেই একা রইতে দেখথালা৷

36. যীশুর উজ্জ্বল রূপ ধারণ — ছবি 7

যীশু আর তিন শিষ্যেয়ানে পর্বতনু নামি আইলা ৷ তারপর যীশু তাঙ্কের কইথালা, “যা এখানে ঘটেচ সেসব কাউকে কিছু কওনী ৷আমি শীঘ্রই মারা যাব আর আবার জীবিত হব৷তার পর, তোমরা না হয় লোকেয়াঙ্কের কইব৷”

একটি বাইবেল কাহিনী: নেওয়া হয়েছে-মথি ১৭:১-৯; মার্ক ৯:২-৮; লুক ৯:২৮-৩৬

রিডারে পড়ুন

উন্মুক্ত লাইসেন্সের (CC BY-SA 4.0) অধীনে ব্যবহার, অভিযোজন ও ভাগ করার জন্য বিনামূল্যে।