42. যীশু স্বর্গে আরোহন করথালা

42. যীশু স্বর্গে আরোহন করথালা — ছবি 1

যীশুর মৃত্যুনু জীবিত হওয়ার সেই দিনে, দুজন শিষ্যেয়ানে কাছের এক নগরে যাইথালা ৷ যখন তানে হাঁটিথালা, তানে একেঅপরের সাথে কথা কইথালা যে যীশুর সাথে কি কি ঘটেটে ৷ তানে আশা করথালা যে তিনিই খ্রীষ্ট, কিন্তু তাকে যে হত্যা করা হিচে ৷ এখন সেই মহিলায়ানে কইটে যে তিনি জীবিত হিচে৷ তানে জানতানি যে কি বিশ্বাস করবে৷

42. যীশু স্বর্গে আরোহন করথালা — ছবি 2

যীশু তাঙ্কের কাছে গেলেন আর তাঙ্কের সাথে সাথে হাঁটা শুরু করথালা, কিন্তু তানে তাকে চিনতে পারলানি ৷ তিনি তাঙ্কের জিজ্ঞাসা করথালা তানে কি বিষয়ে কথা কইটে, আর তানে সকল কথা যা কিছুদিন ধরিকি যীশুর সাথে ঘটেটে তা কইলা ৷ তানে ভাবথালা যে তানে এক পথিকের সাথে কথা কইটে যে জানে নি যে যেরুশালেমে কি ঘটেছে৷

42. যীশু স্বর্গে আরোহন করথালা — ছবি 3

তারপর যীশু তাঙ্কের বর্ণনা দিথালা যে ঈশ্বরের বাক্য খ্রীষ্ট সম্বন্ধে কি কয় তিনি তাঙ্কের মনে করিয়ে দিলা যে ভাববাদীয়ানে খ্রীষ্ট সম্বন্ধে কইটে যে তাকে কষ্ট সইতে হবে আর মরতে হবে, কিন্তু তাকে তিনদিন পর জীবিত করা হবে৷ যখন তানে নগরে পৌছিলা যেখানে সেই দুই ব্যক্তি রওয়ার পরিকল্পনা করথালা, তখন একেবারে সন্ধ্যা ঘনি আসথালা ৷

42. যীশু স্বর্গে আরোহন করথালা — ছবি 4

দুই ব্যক্তি যীশুকে তাঙ্কের সাথে রওয়ার অনুরোধ করথালা আর তিনি তাঙ্কের অনুরোধ করথালা ৷ যখন তানে রাতের খাবার খাওয়ার জন্য প্রস্তুত হিলা, যীশু একটি রুটি লিলা ঈশ্বরকে ধন্যবাদ করলা আর তারপর তা ভাঙ্গথালা। হঠাৎ, তানে যীশুকে চিনতে পারলা ৷ কিন্তু সেই মুহুর্তে, তাঙ্কের দৃষ্টিনু তিনি উধাও হিলা ৷

42. যীশু স্বর্গে আরোহন করথালা — ছবি 5

দুজন একে অপরকে কইলা, “তিনি যীশু থাইলা!সেইজন্যই যখন তিনি আমাঙ্কের সাথে ঈশ্বরের বাক্য কইথালা আমাঙ্কের হৃদয় জ্বলথালা ৷ তক্ষনাৎ, তানে যেরুশালেম ফিরি গেলা ৷ যখন তানে পৌছিলা, তানে শিষ্যয়ান্তের কইথলা, “যীশু জীবিত!আমানে তাকে দেখছি!”

42. যীশু স্বর্গে আরোহন করথালা — ছবি 6

যখন শিষ্যয়ানে কথা কইথালা যীশু হঠাৎ ঘরের মধ্যে আভির্ভাব হিলা আর কইথালা, “তোমান্তের শান্তি হৌ!”শিষ্যয়ানি ভাবলা যে তিনি একটি ভূত, কিন্তু যীশু কইথালা, “তোমনে ভয়ভীত কেন আর সন্দেহ কেন করট?আমার হাত ও পা দেখো৷ভূতয়ান্তের আমার মত দেহ হয় নি৷তিনি যে ভূত নন তা প্রমান করতে তিনি কিছু খেইতে চাইলানি৷তানে তাকে একটি রান্না করা মাছ দিলা আর তিনি তা খেইলা

42. যীশু স্বর্গে আরোহন করথালা — ছবি 7

যীশু কইলেন, “আমি তোমান্তের কইটি যে ঈশ্বরের বাক্যে যাকিছু আমার বিষয়ে লেখা আছে তা পূর্ণ হবে৷তারপর তিনি তাঙ্কের বুদ্ধি খুলি দিলা যেন তানে ঈশ্বরের বাক্য বুঝতে পারে৷ তিনি কইথালা “বহু আগে এ লেখা হিচে যে খ্রীষ্টকে দুঃখ ভোগ করতে হবে, মরতে হবে আর তৃতীয় দিনে মৃতয়ান্তের মধ্যেনু থেকে জীবিত হিকি উঠতে হবে৷”

42. যীশু স্বর্গে আরোহন করথালা — ছবি 8

শাস্ত্রে লেখা আছে যে আমার শিষ্যেয়ানে সবাইকে ঘোষণা করবে যে প্রত্যেককে তান্তের পাপের ক্ষমা পেইতে অনুশোচনা করতে হবে৷ তানে যেরুশালেমনু থেকে তা আরম্ভ করবে, আর তারপর পৃথিবীর সকল জাতির কাছে যাবে৷তোমরা এসকলের সাক্ষী৷

42. যীশু স্বর্গে আরোহন করথালা — ছবি 9

আগামী চল্লিশদিনে, যীশু তার শিষ্যয়াঙ্কের অংশ কাছে বহুবার দেখা দেলা৷ একবার, তিনি ৫০০জন লোকয়াঙ্কের সামনে একই সময়ে দেখা দিলা! তিনি বিভিন্ন ভাবে তার শিষ্যয়াঙ্কে প্রমান করেন যে তিনি জীবিত, আর তিনি তাঙ্কের ঈশ্বরের রাজ্যের বিষয়ে শিক্ষা দেন৷

42. যীশু স্বর্গে আরোহন করথালা — ছবি 10

যীশু তার শিষ্যয়াঙ্কের কইথালা, “স্বর্গের আর পৃথিবীর সকল অধিকার আমাকে দেওয়া হিচে৷ অতএব যাও, সকল লোকান্তের পিতা, পুত্র ও প্রবিত্র আত্মার নামে বাপ্তিষ্ম দিয়ে আর তোমান্তের দেওয়া আমার সকল আদেশ মানতে শিক্ষা দিকি শিষ্য বানাও৷মনে রেখো, আমি তোমান্তের সাথে সব সময় আছি৷”

42. যীশু স্বর্গে আরোহন করথালা — ছবি 11

মৃত্যুনু থেকে জীবিত হওয়ার চল্লিশ দিন পর, তিনি তার শিষ্যন্তের কইথালা, “যেরুশালেমে রও যতদিন না আমার পিতা পবিত্র আত্মা তোমান্তের দিকি শক্তি না দেন৷” তারপর যীশু স্বর্গে আরোহন করথালা আর একটি মেঘ তান্তের দৃষ্টিননু থেকে তাঙ্কের আড়াল করলা৷যীশু ঈশ্বরের ডান দিকে বুথালা সকল কিছুর উপর কর্তিত্ব করতে৷

একটি বাইবেল কাহিনী: নেওয়া হয়েছে-মথি ২৮:১৬-২০; মার্ক ১৬:১২-২০; লুক ২৪:১৩-৫৩, যোহন ২০:১৯-২৩; প্রেরিতদের কার্য ১:১-১১

রিডারে পড়ুন

উন্মুক্ত লাইসেন্সের (CC BY-SA 4.0) অধীনে ব্যবহার, অভিযোজন ও ভাগ করার জন্য বিনামূল্যে।