47. ফিলিপীয়তে পৌল আর সীল
যখন শৌল রোমান সাম্রাজ্যের সর্বত্র যাত্রা করলা তখন তিনি তার রোমান নাম “পৌল” ব্যবহার করথালা৷একদিন, পৌল আর তার সঙ্গী সীল ফিলিপীয়ের এক নগরে যীশুর সুসমাচার প্রচার করতে গেলা৷তানে নগরের বাইরে নদীর ধারে সেখানে গেলা যেখানে লোকেয়ানে প্রার্থনা করতে যইতা৷ সেখানে তানে লুদিয়া নামক এক ব্যবসায়ী মহিলার সাথে দেখা করথালা৷তিনি ঈশ্বরকে ভালোবাসতা আর আরাধনা করতা৷
ঈশ্বর লুদিয়ার হৃদয় খুলি দিলা যীশুকে বিশ্বাস করার জন্য আর তিনি ও তার পরিবার বাপ্তিষ্ম লিলা৷তিনি পৌল আর সীলকে তার বাড়িতে থাকার জন্য অনুরোধ করথালা, তাই তানে তার পরিবারের সাথে রইথালা।
পৌল আর সীল প্রায়ই প্রার্থনার স্থানে যাইতা ৷ যতবার তানে সেখানে যাইতা, ততবার একটি দাসী মেয়ে যে ভূতগ্রস্ত থাইলা তাঙ্কের অনুস্বরণ করতা ৷ এই ভূতটির দ্বারা সে লোকেয়াঙ্কের ভবিষ্যত কইতা, আর জ্যোতিষ বিদ্যার দ্বারা সে তার মালিককে প্রচুর ধন রোজগার করিদিতা ৷
সেই দাসীটি কইতেই রইতা যখন তানে হেঁটি বেড়িতা, “এই লোকগুলো মহান ঈশ্বরের দাস ৷ তানে তোমাঙ্কের উদ্ধারের পথ কইবে!”সে বহু বার এমনই করলা যে পৌল বিরক্ত হিকি উঠল৷
অন্তিমে একদিন যখন সেই দাসীটি চিৎকার করিকি কওয়া শুরু করলা, তখন পৌল তার দিকে ফিরলা আর তার ভিতরের ভূতটকে কইথালা “যীশুর নামে এই মেয়েটার ভিতরনু বারি যাও৷” তখনই ভূতটি বেরি গেলা।
সেই লোকটা যে সেই দাসীটার মালিক থাইলা খুব রাগি গেলা ৷ তানে দেখলা যে ভূতটাকে ছাড়া দাসীটা ভবিষ্যত আর কইতে পারেনি ৷ এর অর্থ হিলা যে লোকেয়ানে আর দাসীটির মালিককে আর কোনো টাকা দিবেনি তাই এখন তাঙ্কের কি হবে ৷
তাই সেই দাসীটার মালিক পৌল আর সীলকে রোমান শাসকয়াঙ্কের কাছে লি গেলা যানে তাঙ্কের মারলা আর তাকে জেলে পুরে দিলা৷
তানে পৌল আর সীলকে জেলের সবচাইতে সুরক্ষিত জায়গায় রাখলা আর তাঙ্কের পা শিকল দিকি বেধে রাখলা ৷ কিন্তু তবুও মধ্য রাতে, তানে ঈশ্বরের স্তুতি গান গাইথালা ৷
হঠাৎ, সেখানে ভীষণ এক ভূমিকম্প হয়!জেলের সকল দরজা খুলি গেলা আর বন্দিয়াঙ্কের পায়ের শিকল সব খুলে গেলা৷
জেল আধিকারী ঘুমনু উঠলা,যখন তিনি দেখলা যে জেলের সকল দরজা খোলা, তিনি ভয় পাইলা ৷ তিনি ভাবথালা যে সকল বন্দীয়ানে পালিছে, তাই সে আত্যহত্যা করার চেষ্টা করথালা৷(তিনি জানতেন যে রোমান শাসকয়ানে যদি জানতে পারে যে তিনি বন্দিয়াঙ্কের পালিতে দিয়েছে তাহলে তাকে তানে মারি ফেলবে৷)কিন্তু পৌল তাকে দেখলা আর কইথালা, “থামুন!নিজেকে আঘাত করবনি ৷ আমনে সকলেই এখানেই আছি৷”
জেল আধিকারী কাঁপতে কাঁপতে পৌল আর সীলের কাছে আইলা আর জিজ্ঞাসা করলা, “উদ্ধার পাইতে আমাকে কি করতে হবে?”পৌল উত্তর দিলা, “প্রভু যীশুর উপর বিশ্বাস কর আর আপনি আর আপনার পরিবার উদ্ধার পাবে৷”তারপর জেল আধিকারী পৌল আর সীলকে তার বাড়িতে লি গেল আর তাঙ্কের আঘাত ধুলেন ৷ পৌল তার পরিবারের সকলকে সুসমাচার শুনিথালা ৷
তিনি ও তার পরিবারের সকলে বিশ্বাস করলা ও বাপ্তিষ্ম লিলা৷তারপর তিনি পৌল আর সীলকে খেতে দিলা আর একত্র মিলিকি আনন্দ করথালা৷
পরদিন নগরের নেতায়ানে পৌল আর সীলকে জেলনু থেকে মুক্ত করলা আর ফিলিপীয় ছেড়ে চলে যেতে বলল৷ পৌল আর সীল লুদিয়ার আর অন্য সঙ্গীয়ানে সাথে দেখা করলা আর তারপর নগর ছারিকী চালি গেলা ৷ যীশুর সুসমাচার চারিদিকে ছড়ীতে লাগলা আর চার্চ বৃদ্ধি পেতে রইলা৷
পৌল আর অন্যান্য খ্রীষ্টান নেতায়ানে বহু শহরে যাত্রা করল আর যীশুর সুসমাচার লোকেয়াঙ্কের প্রচার করলা আর শিখিলা ৷ চার্চসমূহের বিশ্বাসীয়াঙ্কের উৎসাহ আর শেখাতে নানান চিঠি পত্রও তানে লিখিথালা ৷ সেগুলোর কিছু কিছু পরে বাইবেলের কিছু পুস্তক হিচে৷
একটি বাইবেল কাহিনী: নেওয়া হয়েছে-প্রেরিতদের কার্য ১৬:১১-৪০
উন্মুক্ত লাইসেন্সের (CC BY-SA 4.0) অধীনে ব্যবহার, অভিযোজন ও ভাগ করার জন্য বিনামূল্যে।