13. ১৩. ইস্রালিয়রার সাথে ঈশ্বরের নিয়ম
ঈশ্বর ইস্রালীয়দের লাল সমুদ্রের মাঝু নি আসার পর তিনি উরাকে নিজর্ন প্রদেশ দি একটা সিনয় নামের পর্বত নি আসলেক, এটা হলেক সেই পর্বত জেঠে মোশি জলন্ত ঝোপ দেখথালেক। পর্বতের তলায় নকরা উরাকার তাম্বু বানালেক।
ঈশ্বর মোশিকেআর ইস্রালিয়্দের নকদের বললেক ‘তুঁরা মর ও মর নিয়মের প্রতি আজ্ঞা মানু তবে তরা মর নিজের ভাগ, একটা রাজকীয় যাজকবর্গ এবং এবং একটা প্রবিত্র জাতি হবে’।
তিনদিন পর আধ্যাতিক ভাবে নকরা নিজে নিজে প্রস্তুত করার পর, সীনয় পর্বতের চুরায় মেঘডাকলেক, বিদ্যুত ধুঁয়া আর খুব উচ্চ কণ্ঠায় তুরিধ্বনির সঙ্গে নামী আসলেক। কেবল শুধু মোশীরই পর্বতে উপরে চড়ার অনুমতি থালেক।
তেতবা ঈশ্বর নিয়ম দিলেক আর বললেক ‘আমি সদাপ্রভু তুরাকার ঈশ্বর, যিনি মিশর দেশের চাকর থাকতে তুরাকে মুক্তি দিলেক অন্য দেব দেবতার পূজা করবেক নাই’।
কোনরকম ঠাকুর বানিও না, এবং উরাকার উপাসনা করবেক নাই, কেনে না আমি সদাপ্রভু, আমি নিজেকার গৌরব রক্ষায় উপযুক্ত ঈশ্বর আমার নাম অযথা বা অসন্মান ভাবে ব্যবহার করবেক নাই|বিশ্রাম দিন প্রবিত্র বলি পালন কর, ছয়দিন তুরা সকল কাজ করো, সাত দিনটি হলেক বিশ্রামের ও আমাকে মনে করার দিন।
তর বাবা ও মা কে মান্য কর, হত্যা করবে নাই, ব্যবিচার করবে নাই, চুরি করবে নাই, মিথ্যা বলবে নাই, প্রতিবেশীর বউ এর, ঘরের অথবা অথবা উহার কোন কিছুর প্রতি লোভ করবে নাই।
তারপর ঈশ্বর এই দশ আদেশ দুটো পাথরের ফলার উপর লিখলেক|আর মোশীকে দিলেক| ঈশ্বরআর উঁ অনন্য নিয়মবিধি দিলেক, যদি উরা পালন করে, তবে প্রতিজ্ঞা করলেক যে তিনি উরাকে আশির্বাদ করবেক ও রক্ষা করবেক|যদি উরা অমান্য করে, তাহলে ঈশ্বর উরাকে সাজা দিবেক।
ঈশ্বর ইস্রালিয়্দের একটা তাম্বু বানাবার বিশদ বিবরণ ও দিলেন যা তিনি চাইতেক যেনো, তারা সেটির তৈরী করে|এটাকে মিলন তাম্বু বলা হতেক, আর এটার দুই টা কামরা থালেক| একটা বিরাট পর্দার মাধ্যমে সেটা ভাগ করাছিলো, কেবল মহাজাজকের পর্দার পিছনের কামরার ডুকার অনুমতি থালেক। কেনেনা সৌঠে ঈশ্বর বাস করতেক|
যে কেউ ঈশ্বরের নিয়ম অমান্য করতেক, সে একটা পশু মিলন তাম্বুর বেদির সামনে উত্সর্গ করতেক, এবং যাজক পশুটাকে বলি দিতেক আর টা বেদির আগুনে ফেলায় দিতেক| বলি হবা পশুটার রক্ত সোউ নকের পাপকে ডাকায় দিতেক, আর উহাকে ঈশ্বরের চোখে শুদ্ধ করতেক|ঈশ্বর মশির ভাই হারোন এবং হারনের বংশকে উরাকার যাজক বলি মনোনিত করলেক।
নকরা ঈশ্বরের দিবা সকল নিয়ম মানতেক, আর কেবল জিহোবা ঈশ্বরের আরাধনা করতেক, আর তার বিশেষ প্রজা হতে রাজি হলেক| কিন্তু ইশ্বরকে প্রতিজ্ঞা করার অল্প কিছুকাল পর, উর ভয়ানক ভাবে পাপ করলেক|
বহু দিন পরে, মোশী সিনয় পাহাড়ের চূড়ায় ইশ্বরে সাথে কথা বলথালেক, নকরা তার ঘুরি আসার অপেক্ষায় ক্লান্ত হঁই পড়থালেক|তাই উরা হারনের কাছে সোনা নি আসলেক, এবং উহাকে উরাকার জন্য একটা ঠাকুর বানাতে বললেক।
হারন একটা বাছুরের মতন একটা সোনার ঠাকুর তৈরী করলেক| নকরা সোউ কে ঘটা করি পূজা করা আরম্ভ করি দিলেক|আর তার সামনে বলি সকল উত্সর্গ করলেক, ইশ্বর উরাকার পাপের তরে ভীষন রাগী গেলেক আর উরাকে ধ্বংস করতে চাইলেক|
কিন্তু মোশী উরাকার জন্য প্রার্থনা করলেক, আর ঈশ্বর উহার প্রার্থনা শুনলেক আর উরাকে ধ্বংস করলেক না, যেতবা মোশী পর্বত নু নামী আসলেক আর ঠাকুর দেখলেক, তখন তিনি এত বেশি রাগী গেলেক যে তিনি পাথরের ফলা গুলা ভাঙ্গি দিলেক, যেগর উপর ইশ্বর দশ আজ্ঞা লিখথালেক|
তার পর মোশী ঠাকুরটাকে ধুলায় মিশি যাওয়া পর্যন্ত ভাঙ্গলেক, সোউ ধুলাগা জলে মিসাই দিলেক আর সেগা নকরা কে পাঠাই দিলেক| ইশ্বর সোউ নকদের উপর এক মহামারী পাঠালেক আর অনেক নক মঁরি গেলেক।
মসী আবার পর্বতে উঠলেক আর প্রার্থনা করলেক যেনো ইশ্বর নকদের ক্ষমা করেন| ঈশ্বর মশির কথা শুনলেক আর উরাকে ক্ষমা করলেক। মোশী আবার পাথরের ফলকে দশ আজ্ঞা লেখলেক যা অউ ভাঙ্গি ফেলথালেক| তারপর ইস্রালিয়্দের সীনয় পর্বত নু প্রতিজ্ঞার জমির দিঁ নি গেলেক|
এটি বাইবেল গল্প নিবা হচ্ছে -যাত্রাপুস্তক ১৯:-৩৪:
উন্মুক্ত লাইসেন্সের (CC BY-SA 4.0) অধীনে ব্যবহার, অভিযোজন ও ভাগ করার জন্য বিনামূল্যে।